‘ভূতুড়ে কণা’ নিউট্রিনো শনাক্তের কাজে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল

‘ভূতুড়ে কণা’ নিউট্রিনো শনাক্তের কাজে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শেয়ার করুন:
প্রকাশ: হালনাগাদ:
‘ভূতুড়ে কণা’ নিউট্রিনো শনাক্তের কাজে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল
ছবি: John Hardin / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0) — উৎস

২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। মহাকাশ থেকে আসা নিউট্রিনো—যাকে ‘ভূতুড়ে কণা’ বলা হয়—শনাক্ত করতে অ্যান্টার্কটিকায় বিশাল আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি গড়ে তোলায় তাঁর কেন্দ্রীয় ভূমিকার জন্য এই স্বীকৃতি।

নিউট্রিনোর ভর প্রায় নেই, বৈদ্যুতিক চার্জও নেই। তাই এগুলো গ্রহ, নক্ষত্র এমনকি মানুষের শরীর ভেদ করে চলে যায়। প্রতি সেকেন্ডে আমাদের শরীরের ভেতর দিয়ে প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো চলে যায় বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

১৯৮৮ সালে হালজেন প্রস্তাব দেন, দক্ষিণ মেরুর স্বচ্ছ বরফকেই ডিটেক্টর হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কোনো নিউট্রিনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আঘাত করলে যে আলোর ঝলক তৈরি হয়, বরফের নিচে বসানো সেন্সর তা ধরে ফেলে।

নোবেল কমিটি বলেছে, এই পর্যবেক্ষণ দূরের গ্যালাক্সি ও নক্ষত্র বিস্ফোরণের প্রক্রিয়া বোঝার নতুন পথ খুলে দিয়েছে। ৮২ বছর বয়সী হালজেন একাই এবারের পদার্থে নোবেল পেলেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা (এপি ও রয়টার্স)

শেয়ার করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার নাম ও মন্তব্য লিখুন। মন্তব্য যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হবে।