পাংশা প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলিমহর জহুরুন্নেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ভোকেশনাল শাখার ১ শত শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে কোচিং ফির নামে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফরম পূরণ না করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারী) ঐ বিদ্যালয়ে গিয়ে বেশকিছু শিক্ষার্থীর সাথে কথা হলে তারা জানান ভোকেশনাল শাখার প্রধান শিক্ষক আমাদের কাছে থেকে কোচিং ফির নামে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, আমরা অতিরিক্ত এই কোচিং ফি দিতে চাইনি। এক প্রকার জোর করে শিক্ষার্থীদের ওপর ১ হাজার টাকা কোচিং ফি চাপিয়ে দেওয়া হয়, অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফরম পূরণ না করতেও হুমকি দেওয়া হয়।
স্থানীয় একজন সচেতন অভিভাবক আমজাদ হোসেন বলেন এই প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছিলেন আমাদের এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রয়াত এ.কে.এম রফিক উদ্দিন পান্না মিয়া, তার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানের সুনামের কথা চিন্তা না করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত, সেই সাথে দিন দিন প্রতিষ্ঠানের ফলাফল খারাপ হচ্ছে এদিকে তাদের কোন নজর নেই।
অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল বিভাগের শিক্ষক বিশ্বজিৎ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান আপনি প্রধান শিক্ষক স্যারের সাথে কথা বলেন তিনি এই টাকা নিতে বলেছেন তাই আমি নিচ্ছি।
কলিমহর জহুরুন্নেছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হেনা মোস্তফা কামাল অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন,এবছর ১০০ শিক্ষার্থী ভোকেশনাল শাখা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিবেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ শেষ হয়েছে, বাকি শিক্ষার্থীরা সময় আছে করে ফেলবে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন ভুলবশত কিছু টাকা বেশী নেওয়া হয়েছে, অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিয়ে দিব শিক্ষার্থীদের।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো : রবিউল ইসলাম বলেন অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


