পাংশা সংবাদ ডেস্ক: মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসাসেবা নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামের রোগীদের জন্য রাখা ২২টি শয্যায় ভর্তি আছেন ৬৫ জন, আর ৪৫ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে রোগী প্রায় ৩০০।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না; রক্ত পরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাফিসহ নানা পরীক্ষা বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর চিকিৎসা খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। ওয়ার্ডে অপরিচ্ছন্নতা এবং হাসপাতাল চত্বরে দালালদের তৎপরতা নিয়েও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
হাম ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা এক জ্যেষ্ঠ নার্স জানান, শিশুদের অবস্থা জটিল হলে শিশু ওয়ার্ডের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসক কম থাকায় শিক্ষানবিশ নার্সদের দিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। একজন রোগীর সঙ্গে পাঁচ-ছয়জন স্বজন আসায় ওয়ার্ডে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এই নার্স।
হাসপাতালে আইসিইউ কক্ষ থাকলেও প্রয়োজনীয় শয্যা ও চিকিৎসকের অভাবে তা চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে হাসপাতালের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আবাসিক মেডিকেল অফিসারের (আরএমও) সঙ্গে কথা বলতে বলেন; তবে আরএমওর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রোগী ও স্বজনেরা ওষুধ সরবরাহ, চিকিৎসকের উপস্থিতি, পরিচ্ছন্নতা ও হাসপাতাল চত্বরের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
প্রতীকী ছবি: Tama998 / Wikimedia Commons (CC0)
তথ্যসূত্র: স্থানীয় গণমাধ্যম


