
আজ গ্রামের শিশুর হাতেও স্মার্টফোন। পড়াশোনা, খেলা আর বিনোদনের সঙ্গে তারা ঢুকে পড়ছে এমন এক জগতে, যেখানে সহিংস, অশ্লীল কিংবা প্রতারণামূলক কনটেন্ট এক ক্লিক দূরে। মেক্সিকো সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে শিশুদের সুরক্ষায় কড়া নির্দেশ দিয়েছে; ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলেও এমন উদ্যোগ চলছে। বিশ্ব যখন নড়েচড়ে বসছে, তখন আমাদের পরিবারগুলোও আর উদাসীন থাকতে পারে না।
প্রযুক্তি নিষিদ্ধ করা সমাধান নয়; দরকার সচেতন ব্যবহার। শিশুর ফোনে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালু রাখা, বয়স অনুযায়ী অ্যাপ বেছে দেওয়া, রাতে ফোন শোবার ঘরের বাইরে রাখা এবং অপরিচিত কারও সঙ্গে ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করার শিক্ষা—এসব ছোট পদক্ষেপই বড় সুরক্ষা দেয়।
সবচেয়ে জরুরি হলো সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা। অনলাইনে কোনো কিছু দেখে ভয় পেলে বা কেউ হয়রানি করলে শিশু যেন নির্ভয়ে মা-বাবাকে জানাতে পারে—এই আস্থার সম্পর্ক তৈরি করতে হবে।
বিদ্যালয়গুলোও ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে নিয়মিত সচেতনতা ক্লাস নিতে পারে। নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গড়ার দায় শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নয়, আমাদের সবার।


