রাজবাড়ীর পাংশায় দীর্ঘদিন ধরে রাম রাজত্ব করা ফিজিও থেরাপিস্ট মোঃ গোলাম নবী (৩৫) কে কালুখালী থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়। গোলাম নবী সাওরাইল ইউপি’র বড় পাতুরিয়া ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি বলে এলাকা সূত্র নিশ্চিত করেছে। ডাক্তার না হয়েও মোঃ গোলাম নবী পাংশা পৌরসভার বারেক মোড়ে অবস্থিত তার নিজ মালিকানার একাংশে অংশীদার হয়ে তার রুমের সামনে ডাঃ মোঃ গোলাম নবী (পি.টি) বলে লিখতে এবং রোগীদের ফিজিও থেরাপি দেওয়ার পাশাপাশি ঔষধ ও প্রেসক্রিপশন লেখতেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। মোঃ গোলাম নবী নিয়মিত মামলার আসামী সেই সূত্রে কালুখালী থানা পুলিশ ও পাংশা মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় পাংশা শিল্পকলা মোড় হইতে ৪ মে দুপুর আনুমানিক ১২.৩০ মিনিটে গ্রেফতার করে এবং আসামীকে প্রয়োজনীয় স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন। কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমানের নির্দেশে এস আই জিয়াউল হক ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ গোলাম নবীকে গ্রেফতার করে। ভুয়া ডাক্তার মোঃ গোলাম নবী আ.লীগের সক্রিয় নেতা হওয়ার সুবাদে দীর্ঘ দেড় যুগ প্রভাব খাটিয়ে ডাক্তার লিখে যাচ্ছিলেন। তিনি মূল ফিজিও থেরাপিস্ট, (পি.টি) বি.পি.টি (ঢাকা), এম.পি.টি, (সি,আর,পি), ঘাড় ও কোমর ব্যথার উপর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, (জার্মানী) বাত, ব্যথা, পক্ষাঘাত ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ। মোঃ গোলাম নবী কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউপির বড় পাতুরিয়া গ্রামের মৃত মাজেদ মোল্লার ছেলে। পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা অফিসার মুঠো ফোনে জানান মোঃ গোলাম নবী এই ডিগ্রি নিয়ে ডাক্তার লিখতে পারেন না।


